
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের গভীর রাতের খাবারের একটি অদ্ভুত অভ্যাস নিয়ে মার্কিন মুলুকে তুমুল তোলপাড় শুরু হয়েছে। নিউইয়র্ক টাইমসের প্রখ্যাত সাংবাদিকদের লেখা একটি নতুন বইয়ে ট্রাম্পের এই ব্যক্তিগত অভ্যাসের কথা ফাঁসের পর তিনি এতটাই ক্ষিপ্ত হয়েছেন যে, হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের ওপর কড়া নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এনবিসি নিউজ ও দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্টের তথ্য অনুযায়ী, ট্রাম্পের এই খাদ্যাভ্যাস নিয়ে তার নিজের ক্যাবিনেট মন্ত্রী আরএফকে জুনিয়রও অবাক হয়েছেন! কী আছে সেই বইয়ে? বিস্তারিত জানতে পুরো ভিডিওটি শেষ পর্যন্ত দেখুন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবার আলোচনায় এসেছেন সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং বেশ চমকপ্রদ ঘটনায়। কারণ গভীর রাতে ট্রাম্পের লুকিয়ে চিপস, আইসক্রিম আর ফাস্টফুড খাওয়ার এক অদ্ভুত গোপন অভ্যাস ফাঁস হয়ে গেছে মার্কিন গণমাধ্যমে। আর এই খবরটি প্রকাশ পাওয়ার পর ট্রাম্প এতটাই চটেছেন যে, হোয়াইট হাউজের কর্মকর্তাদের মুখ বন্ধ রাখতে জারি করেছেন এক নতুন রাজকীয় ফরমান বা নিষেধাজ্ঞা!
আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্যা ইন্ডিপেন্ডেন্ট এবং নিউইয়র্ক টাইমস-এর সিনিয়র সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য। নিউইয়র্ক টাইমসের খ্যাতনামা রিপোর্টার ম্যাগি হ্যাবারম্যান এবং জোনাথন সোয়ানের লেখা নতুন বই ‘রেজিম চেঞ্জ: ইনসাইড দ্য ইম্পেরিয়াল প্রেসিডেন্সি অব ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এ দাবি করা হয়েছে, ট্রাম্প রাতের বেলা বিছানায় শুয়ে শুয়ে চিপস, আইসক্রিম খেতে ভালোবাসেন। তবে সমস্যা হলো, খাওয়ার পর চিপসের খালি প্যাকেট, স্টারবাকসের র্যাপার আর আইসক্রিমের খালি কৌটাগুলো তিনি ডাস্টবিনে না ফেলে অনেক সময় বেডরুমের মেঝেতেই ফেলে রাখতেন, যা হোয়াইট হাউজের কর্মীদের পরিষ্কার করতে হতো।
এই বইয়ে আরও কিছু অদ্ভুত তথ্য ফাঁস করা হয়েছে যা শুনলে যে কেউ অবাক হবেন। বইটিতে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের বেডরুমের ময়লার ঝুড়িগুলো কর্মীদের খুব সাবধানে পরীক্ষা করতে হতো। কারণ, অনেক সময় অসাবধানতাবশত খাবারের প্যাকেটের সাথে হোয়াইট হাউজের মূল্যবান খাঁটি রুপোর চামচ ও কাঁটাচামচও ময়লার বালতিতে ফেলে দিতেন প্রেসিডেন্ট! শুধু তাই নয়, ট্রাম্প নাকি তার বাথ রুমে কার্পেট ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন। আর শাওয়ারের পানিতে সেই কার্পেট বারবার ভিজে যাওয়ার কারণে তা নিয়মিত পরিবর্তন করতে গিয়ে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় হোয়াইট হাউজের স্টাফদের।
এই খবর বাজারে আসার পর মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, নিজের এমন ‘অগোছালো’ ও ‘স্থূল’ ইমেজের কথা জানতে পেরে ট্রাম্প মারাত্মক ক্ষিপ্ত হয়েছেন। হোয়াইট হাউজের এক শীর্ষ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এই প্রতিবেদনগুলোকে পুরোপুরি মিথ্যা ও বানোয়াট বলে উড়িয়ে দিয়েছেন ট্রাম্প। একই সাথে তিনি কড়া নির্দেশ দিয়েছেন যে, প্রশাসনের কোনো কর্মকর্তা বা স্টাফ যেন এই বই বা তার ব্যক্তিগত অভ্যাস নিয়ে গণমাধ্যমের সাথে কোনো ধরণের কথা না বলেন।
